ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য ১০টি দক্ষতা আপনার থাকা উচিত

আপনি আমি সবাই জানি ডিজিটাল মার্কেটিং ছোট কোন বিষয় নয়। একজন একা মানুষের পক্ষে সকল বিষয় দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব নয়। কিন্তু একই সাথে আপনি যখন একজন ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে কাজ করবেন তখন আপনাকে প্রতিটি ক্ষেত্রের বেসিক কিছু ধারনা থাকতে হবে।

যেমন, আপনি একজন ফেসবুক মার্কেটার। কিন্তু আপনার শুধু ফেসবুকে কিভাবে পোষ্ট বুষ্ট করে কাস্টমার এনগেজমেন্ট করতে হয় সেটা জানার সাথে সাথে অন্য বেসিক বিষয় গুলো জানা দরকার। যেমন গ্রাফিক্স, কন্টেন্ট রাইটিং, ডাটা এনালাইসিস ইত্যাদি।

এসইও, সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, ইত্যাদি মার্কেটিং সেক্টর গুলো ভিন্ন। কিন্তু একজন পরিপূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটার হওয়ার জন্য আপনাকে প্রতিটি বিষয় জানতে হবে। হ্যাঁ আপনার সকল বিষয় এক্সপার্ট হওয়ার দরকার নেই।

কিন্তু প্রতিটি সেক্টরের বেসিক বিষয় গুলো জানা থাকলে আপনার কাজ গুলো করতে যেমন সহজ হবে তেমনি আপনি আপনার টিমের কাজ গুলো বুঝতে পারবেন।

আরর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট রাইটিং

প্রতিটি ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে দুইটি বিষয় কমন মনে রাখতে হবে।

  • কথা শোনার দক্ষতাঃ আপনি যখন কোন ক্লাইন্টের সাথে অনলাইন বা অফলাইনে মিটিং করবেন তখন আপনাকে অব্যশই বেশি বেশি শুনতে হবে। আপনি যত বেশি শুনবেন তত বেশি আপনার মার্কেটিং লজিক গুলো প্রয়োগ করতে পারবেন।
  • কন্টেন্ট লেখার দক্ষতাঃ আপনি কতটা দক্ষন কোন বিষয়ে সেটা বোঝার জন্য বর্তমানে দুইটি উপায় আছে এক বিষয় ভিত্তিক আপনার ভিডিও কন্টেন্ট শেয়ার করা অথবা আপনার লেখা কোন আরর্টিকেল উপস্থাপন করা।

আপনি কোন ক্লাইন্টকে প্রোপোজাল লেটার বা যোগাযোগ স্থাপনের জন্য বিষয় ভিত্তিক তথ্য সঠিক ভাবে তুলে ধরা। একটা উদাহরন দেওয়া যাক, আপনি কোন কোম্পানিকে তাদের সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার জন্য প্রোপোজাল লেটার লিখছেন। আপনি যদি ভালো লিখতে না জানেন তাহলে সেই ক্লাইন্টটি পাওয়া সম্ভব নয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই জানে হবে কি ভাবে কন্টেন্ট লিখতে হয়ে। কন্টেন্ট রাইটিং একটি ভালো অভ্যাস যা আপনার জ্ঞানের পরিধির বিস্তার করবে। কারন কোন কন্টেন্ট বা আরর্টিকেল লেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই জানতে।

আরর্টিকেল রাইটিং নিয়ে বিস্তারিত ধারনা

কিভাবে ভালো কন্টেন্ট রাইটার হবেন?

উপস্থাপনঃ একটি অনুষ্টানের শুরুটা ভালো হওয়া খুবেই জরুরি। মানে ভালো উপস্থাপনা আপনাকে সহযোগিতা করবে সমস্ত অনুষ্টানের মান ধরে রাখতে।

সুতরাং কোন কন্টেন্ট লেখার শুরুতে ভালো উপস্থাপনা থাকতে হবে। যেমন আপনি কন্টেন্ট লেখার শুরুর দিকে ভিজিটরদের বলে দিতে পারেন এই লেখাটি পড়লে সে কোন কোন বিষয় গুলো শিখতে পারবে।

কন্টেন্ট ধারাবাহিকতাঃ আপনি এই লেখাটি শুরু করছি আরর্টিকেল রাইটিং দক্ষতার উপর বেইস করে। এই লেখার মধ্যে যদি হঠাৎ করে ইউটিউব আয় নিয়ে আলোচনা শুরু করি তাহলে কি এই লেখার ধারাবাহিকতা থাকবে। অবশ্যই এই লেখার ধারাবাহিকতা থাকবে না।

লেখার ধারাবাহিকাত বাজায় রাখার জন্য স্টেপ বাই স্টেপ প্রতিটি বিষয় ভালো ভাবে পরিচালনা করতে হবে।

শেষ কথাঃ এবং প্রতিটি কন্টেন্ট যেন একটি নিদিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে শেষ হয়। মানুষ যেন বুঝতে পারে আপনি কোন কোন বিষয় গুলো ভালো ভাবে বুঝাতে চেয়েছেন। লেখা শেষে অব্যশই রিলেট বিষয় বা উৎস গুলো শেয়ার করতে হবে।

আপনি চাইলে আরর্টিকেল রাইটিং নিয়ে কোর্স করতে পারেন। দেখুন যত বেশি শিখবেন তত বেশি আউটপুট দিতে পারবেন।

টিপসঃ আপনি ফ্রি ব্লগ ওপেন করে লেখার প্রাকটিস করতে পারেন। আপনি একদিনে ভালো আরর্টিকেল রাইটার হতে পারবেন না। কিন্তু লিখতে লিখতে একটা সময় ভালো শিখতে পারবেন। 

ভালো ইংরেজী, সঠিক গ্রামার ইত্যাদি বিষয় গুলোর দিকে নজর না দিয়ে প্রাকটিস শুরু করুন। আপনার দুর্বল পয়েন্ট বুঝে কোর্স করুন। লিখতে লিখতে ভুল হলে এডিট বাটন ক্লিক করে ভুল সংশোধন করুন।

ডাটা এনালাইসিস

ডিজিটাল মার্কেটাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যা ব্যক্তি আছে যে ডাটা এনালাইসিস করতে পারে। কিন্তু সুস্পস্ট কাস্টমার এনগেজমেন্ট এবং কাস্টমার বিহ্যাবিহার বোঝার জন্য ডাটা এনালাইসিস শেখাটা জরুরি।

আমরা কোন সোস্যাস মিডিয়া ক্যাম্পিইন চালু করার জন্য আমাদের কাছে কোন ধরনের ডাটা থাকে না। কিন্তু একটি ক্যাম্পিইন শেষ হওয়ার পর সেই ক্যাম্পিইনের সম্পর্ন চাট আমাদের কাছে চলে আসে।

প্রথম ক্যাম্পিইন ব্যর্থ হলে সেই ব্যর্থার কারন অনুসন্ধান করা যায় ডাটা দেখে। সুতরাং আপনি একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটার হতে চাইলে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে ডাটা এনালাইস করতে হয়?

আপনাকে ডাটা এনালাইসিসে মাস্টার হতে হবে তা কিন্তু নয়। আপনাকে বেসিক গ্রাফ, চার্ট, সার্কেল, ট্রেন্ড, ইত্যাদি বিষয় গুলো কিভাবে বুঝতে হয় সেই বিষয় ‍গুলো জানালেই হবে।

  • বর্তমান ক্যাম্পিইনের কনভার্সন রেট কত? ( বিজ্ঞাপনটি দেখার পর কত গুলো মানুষ পন্যটি ক্রয় করেছে )
  • কোন ব্যবসা সব্বোর্চ কত কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যবসা করতে পারবে।
  • কোন ধরনের বিজ্ঞাপন বেশি সফলতা এনে দিচ্ছে।
  • এবং ব্যবসাটির বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রতিযোগি কে তাদের ডাটা সংগ্রহ করা।

আপনাকে ডাটা সাইন্সটিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাকে শুধু জানতে হবে কিভাবে ডাটা সংগ্রহ করে, কিভাবে ডাটা বুঝতে হয়?

একটি উদাহরন দেওয়া যাকঃ আমার লেখা এই আরর্টিকেলটির কথায় ধরুন। আমি যদি এই লেখাটির এসইও রিপোর্ট তৈরি করি তাহলে আমাকে কি কি জানতে হবে।

আমাকে জানতে হবে লেখাটির কোন কোন কিওয়ার্ড র‌্যাঙ্ক করল, কিওয়ার্ড সার্চ ভেলু কত, লেখাটির গুগল সার্চ রেজাল্টে গড় পজিশন কত, লেখাটি কত গুলো ব্যাকলিংক অর্জন করেছে, ইত্যাদি বিষয় গুলো একটি গুগল সিটে আমাকে সাজাতে হবে।

Data Fluency: Exploring and Describing Data ( Free Course )

The Data Learning Free Course

ডিজিটাল মার্কেটিং মাধ্যম গুলো সম্পর্কে ধারনা রাখা

আপনি সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট। কিন্তু আপনার এজেন্সিতে এমন অনেক ক্লাইন্ট আসবে যারা সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করাতে আগ্রহী নয়।

তারা ভিডিও মার্কেটিং করাতে চায়। আপনি সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ফানেল, পরিকল্পনা, টার্গেট কাস্টমার, বাজেট, ইত্যাদি বিষয় গুলোতে অভিজ্ঞ। কিন্তু ভিডিও মার্কেটিং সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

আমি বলছি না আপনাকে ভিডিও মার্কেটিং বিষয় বিস্তারিত জানতে হবে। তবে ভিডিও মার্কেটিং বেসিক বিষয় গুলো জানা দরকার যেমন ভিডিও টির উদ্দেশ্য, টারগেট কাস্টমার, স্টোরি টেলিং, ক্রিয়েটিভ বিষয় বস্তু।

আপনার বেসিক বিষয় গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকলে আপনার টিম মেম্বার কি কাজ করতেছে তা আপনি বুঝতে পারবেন।

এখন আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। এর কারন হল ———-

  • প্রতিটি ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্মের কাজ করার প্রসেস গুলো আপনার জানা থাকবে। এর ফলে আপনি খুব সহজে আপনার টিমকে লিট করতে পারবেন।
  • ক্লাইন্টের সাথে কথা বলার সময় নিদিষ্ট মার্কেটিং ফানেলের উদ্দেশ্য নিয়ে আপনি কথা বলতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং সমস্ত প্লাটফর্ম কাভার করা সম্ভব না। আপনি হয়তো কিছু বিষয়ে এক্সপার্ট কিন্তু বাকি সকল বিষয়ে আপনি জানেন।

আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম গুলো কাজের ফানেল গুলো সম্পর্কে বেসিক ধারনা থাকলে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম গুলো যে কোন ভাবে একটির সাথে অন্যটি জড়িত

Ways of Digital Marketing

কিভাবে ডিজিটাল মাধ্যম গুলো মার্কেটিং বিষয়ে জানবেন?

আপনি যদি আমার কথা বলেন তাহলে আমি যে ভাবে মাধ্যম গুলো সম্পর্কে বেসিক ধারনা নেওয়া চেষ্টা করি তা বলতে পারি। উপায় গুলো হল —

  • আমি ফ্রি এবং পেইড উভায় ধরনের কোর্স করি। ( কোর্স করার পূর্বে ইউটিউব, ফেসবুক, আরর্টিকেল পড়ে বিষয় গুলো বেসিক ক্লিয়ার করার চেষ্টা করি )
  • কোর্স করা শেষ হয়ে গেল লাইফ প্রোজেক্ট করে বিষয় ‍গুলো ভালো ভাবে জানার চেষ্টা করি।
  • ১০ টি ব্লগ সাইটের লিষ্ট তৈরি করি যে ব্লগ গুলো থেকে আমি সেই বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পারব।

আমি ব্যক্তি গত ভাবে একজন এসইও ওয়ার্কার। কিন্তু আমি ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন, থিম কাস্টমাইজেশন, বেসিক কোডিং, ফেসবুক মার্কেটিং, পিপিসি মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং, পোষ্ট প্রোডাকশন, কন্টেন্ট মার্কেটিং, বেসিক গ্রাফিক্স, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ইত্যাদি বিষয় গুলো বেসিক এবং এডভান্স ধারনা রাখি।

আপনি নিজেকে যত বেশি আপডেট করতে পারবেন তত বেশি প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে পারবেন।

মার্কেটিং টুল গুলো সম্পর্কে ধারনা রাখা

প্রতিটি ডিজিটাল মার্কেটিং কাজের টুল ব্যবহার অপরিহার্য। টুল ব্যবহার করে আপনি খুব সহজে আপনার মার্কেটিং কৌশল প্রয়োগ করতে পারবেন।

সকল ডিজিটাল মার্কেটিং কাজের জন্য একই ধরনের টুল ব্যবহার করা হয় না। আপনি কন্টেন্ট মার্কেটিং করার জন্য যে টুল ব্যবহার করবেন সেই একই টুল দিয়ে ইমেইল মার্কেটিং করতে পারবেন না।

একজন ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজার হিসাবে আপনাকে প্রতিটি টুল সম্পর্কে বেসিক ধারনা রাখতে হবে। যেমন Hey Marketers একটি জব খোজার টুল। এই টুলের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের জব লিষ্ট করে থাকে।

JOB FINDING TOOLS

আপনি এই টুল ব্যবহার করে নিজের জন্য বা এজেন্সির জন্য আপনার পছন্দের জবটি খুঁজে পেতে পারেন। যে কোন টুল আপনার কাজ গুলোকে সহজ করে দেয়।

মার্কেটে অনেক ধরনের টুল আছে যে গুলো আপনি ফ্রি এবং পেইড উভায় ভার্ষনে ব্যবহার করতে পারবেন। কিছু কিছু টুলের ট্রাইল ভার্ষন ব্যবহার করা যায়। ট্রাইল ভার্ষন ব্যবহার করে আপনি বুঝতে পারবেন কোন টুলটি ভালো কোনটি ভালো নয়।

একটা উদাহরন দেওয়া যাকঃ আপনি একজন ইমেইল মার্কেটার হতে চান। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য বেষ্ট যে সকল টুল আছে সেই টুল গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা রাখতে হবে।

আপনাকে জানতে হবে কিভাবে ইমেইল টেমপ্লেট তৈরি করে, একই সাথে কয়েক হাজার ইমেইল অ্যাড্রেস ইনপুট করে মেইল সেন্ড করতে হয়, ইমেইলের ধরন অনুযায়ি টেমপ্লেট তৈরি, ইমেইল সংগ্রহ ইত্যাদি।

ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য একটি টুল হচ্ছে MailChimp। সুতরাং একজন ইমেইল মার্কেটার হিসাবে MailChimp নিয়ে বিস্তারিত জানার দ্বাতীয় আপনার।

Mailchimp

মূলত হাজার হাজার টুল আছে যে কোন মার্কেটিং সেক্টরে। আপনাকে একই সেক্টরের ৪ থেকে ৬ টুলের বিস্তারিত জানার প্রয়েজন আছে।

সাধারন ডিজাইন দক্ষতা

আপনাকে একজন প্রোফেশনাল ডিজাইনার হতে হবে বিষয়টা এমন নয়। কিন্তু বেসিক কিছু বিষয় আপনাকে জানতে হবে। যদিও অনলাইন ডিজাইন টুল গুলো কারনে কাজ অনেক সহজ হয়ে গেছে।

আপনি একটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে চান অথাব একটি ছবির রিসাইজ করতে চান। সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার টিমের ডিজাইনারের কাছে গিয়ে বলবেন কি! ছবিটা ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করুন অথবা ছবিটা রিসাইজ করুন।

আপনাকে অবশ্যই ফটোশপের বেসিক কাজ গুলো জানতে হবে।

আপনি যে কাজ গুলো করতে পারেন ————

  • ওয়েব ডিজাইনের বেসিক বিষয় গুলো জেনে রাখতে পারেন।
  • UX Design
  • বর্তমানে কোন ধরনের ওয়েব ডিজাইন গুলো কাস্টমার পছন্দ করছে সেই বিষয় গুলোর ধারনা রাখুন।
  • বেসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন ( Photoshop, Illustrator, Gimp ) ডিজাইন টুল ( Canva, Genially )। কন্টেন্ট ডিজাইন আইডিয়া যেমন ইনফোগ্রাফি, বিজ্ঞাপন, প্রেজেনটেশন, Wireframes ইত্যাদি।

Web Design Trends Link

যে কোন পরিবেশে কাজ শেখার দক্ষতা

আপনি আপনার কর্মজীবন শুরু করেছেন ছোট একটি এজেন্সি দিয়ে। যেখান কর্মী সংখ্যা ৫ থেকে ৭ জন। তাই বলে আপনি কার্ম ক্ষেত্রেটিকে ছোট করে দেখবেন বিষয়টা এমন যেন না হয়।

প্রতিটি কর্মীর কথা শোনার দক্ষতা আপনার রাখতে হবে। তাদের সাথে মিশে তাদের মত করে কাজ করতে হবে। এবং আপনাকে আপনার সেরাটা দেখাতে হবে।

আপনি খুব ভালো একজন কর্মী এই ভেবে কখনো অভদ্র হওয়া যাবে না। আপনি যত বেশি শিখবেন তত বেশি নম্র হবেন।

আপনি আপনার এজেন্সির ম্যানেজারের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি করুন কাজ দিয়ে। আপনার কাজ ভালো হলে অনেক সহকারী আপনার সাথে তাদের নিজস্ব দক্ষত শেয়ার করবে।

নোটঃ দক্ষতা কাজ করে অর্জন করা যায়। কোর্স করে একজন মানুষ কখনো দক্ষ হতে পারে না। 

আপনার সহকর্মীদের সম্পর্কে সব সময় পজিটিভ চিন্তা করবেন। কখনো তাদের সম্পর্কে নেগেটিভ চিন্তা করবেন না।

যদি কোন সহকর্মী আপনাকে পছন্দ না করে তাহলে চেষ্টা করুন তার পছন্দের তালিকায় আপনার নামটি এড করার।

প্রতিনিয়ত শেখার আগ্রহ

আপনি যে সেক্টরে কাজ করেন সেই সেক্টর সম্পর্কে নিত্য নতুন শেখার চেষ্টা করুন প্রতিদিন। আপনি একটা রুটিন করে নিতে পারেন যে আপনি প্রতিদিন আপনার কাজের বিষয়ে নতুন দুইটি বা একটি বিষয় শিখবেন। অথবা আপনার সেক্টরের সিনিয়ারদের ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ফলো করুন।

আপনার সেক্টরের নতুন কোন টপিক নিয়ে আলোচনা হলে সেই টপিকটা শিখে ফেলুন। অথবা আপনার আগের বিষয় গুলো নতুন ভাবে পড়ার চেষ্টা করুন।

গুগল নিউ আপডেট, নতুন মার্কেটিং পলিসি, ফিলোছফি, ভবিষ্যৎ কর্ম ক্ষেত্রে বা ভবিষ্যৎ কাজের পরিধি ইত্যাদি বিষয় গুলো আপনাকে জানতে হবে।

যেমন আমি একজন প্রোফেশনাল এসইও ওয়ার্কার হয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখছি। আমাদের এসইও ওয়ার্কারদের জন্য SEOfomo সহযোগিতা করে নতুন নতুন এসইও বিষয়ে জানার।

ভিন্ন ভিন্ন কাজ করার দক্ষতা

এমনটা হওয়া কখনো উচিত নয় যে আপনি একই কাজ করবেন অন্য কোন কাজ করবেন না। ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ি আপনাকে সকল কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং অভ্যাস থাকতে হবে।

আজকে আপনি ইমেইল আউট রিচ নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু আগামী কাল ক্লাইন্টের একটি কন্টেন্ট দরকার আপনাকে সেই কন্টেন্ট রাইটিং করতে হবে।

যে কোন কাজের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। মানিয়ে নেওয়া বলতে কাজটি করার দক্ষতা থাকতে হবে।

এমনও হতে পারে আপনাকে একই সাতে দুই ধরনের কাজ করতে হতে পারে। যেমন একদিকে আপনি কোন ক্লাইন্টের সমস্যার সমাধান করছেন আবার অন্য দিকে অন্য কোন কোম্পানির ওয়েবসাইটের এসইও অডিট করছেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরের অনেক কিছু পরির্বতন হতে পারে। অবশ্য প্রতিনিয়ত কিছু পরির্বতন হচ্ছে। এই পরির্বতনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। এবং এই মানিয়ে নেওয়া বিষয়টি আপনার মাথায় রাখতে হবে।

দেখুন কোন কিছু চিরস্থায়ী নয়। আপনি আজ যে বিষয় অনেক বেশি অভিজ্ঞ কালকে অন্য কেউ সেই বিষয় আরও বেশি অভিজ্ঞ হবে সেটাই স্বাভাবিক।

কাজ বিশ্লেষণ করার দক্ষতা

কোন কোম্পানি যখন আপনাকে কোন কাজ দিবে তখন আপনার উপর নিখুত বিশ্বাস করে কাজটি দিবে। এটা আপনার দ্বাতীয় যে তাদের বিশ্বাসটি রক্ষা করা।

সমান্য ভুলের কারনে আপনার সম্পূর্ণ কেম্পাইনটি শেষ হয়ে যেতে পারে। সুতরাং প্রতিটি কাজ শুরু করার আগে কাজটির আউটপুট বিশ্লেষন করার দরকার আছে।

একটা উদাহরন দেওয়া যাক, কোন একটি বিশেষ কন্টেন্ট এর জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে চাচ্ছেন। এর জন্য আপনি গেষ্ট ব্লগিং এবং ইমেইল আউট রিচ করার চিন্তা-ভাবনা করলেন।

আপনি পরিকল্পনা মাফিক কয়েক হাজার ইমেইল সেন্ট করলেন এবং গেষ্ট ব্লগিং করার জন্য ৫০০ প্লাস ওয়েবসাইটের সাতে কন্ট্রাক করলেন।

দেখা গেল এই কেম্পাইন করার যে আউট পুট আসার দরকার তার ৫০% আপনি অর্জন করতে পারেন নাই। তার মানে আপনার পরিকল্পনাটি ফেইল করল।

একটি প্রজেক্ট শুরু করার পূর্বে যদিও আমরা অনেক ডাটা বিশ্লেষন করি। তারপরেও আপনাকে সেই প্রজেক্টটি রান করার পূর্বে ভাবতে হবে।

প্রতিটি পদক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বিশ্লেষন করে সঠিক মনে হলে প্রজেক্ট রান করতে হবে। আপনি যদি প্রেজেক্ট লিড করে থাকেন সেই ক্ষেত্রে আপনার দ্বাতীয় অনেক বেশি হয়ে যায়।

This div height required for enabling the sticky sidebar
Ad Clicks : Ad Views :